আমতলী প্রতিনিধি:
আসন্ন ১৩ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রয়েছে সংসদীয় আসন -১০৮ বরগুনা -০১( বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) তে জনমানুষের মাঝে অনেক জল্পনা কল্পনা কে হবে যোগ্য রক্ষক এই অঞ্চলের মানুষের জানমালের, কে রাখবে ঢেকে নিরাপত্তার চাদরে।এই আলোচনাই চলছে হোটেল রেস্টুরেন্ট হাটেবাজারে চায়ের দোকান পাড়া মহল্লায়।এদেশের গণমানুষের হ্রদয়ের মনিকোঠায় পছন্দের তালিকায় ১ম স্হানে ছিল মরহুম শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল বি. এন. পি যার নির্বাচনী প্রতিক ধানের শীষের ভোট ছিল প্রায় শতকরা ৮০ শতাংশ কিন্তু ০৫ ই আগস্ট ২০২৪ ইং এর পরে অভ্যন্তরীন দলীয় কোন্দল এবং দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নেতাকর্মীরা সাধারন মানুষকে হয়রানী চাঁদাবাজী লুটপাট জমিদখল শালিসবানিজ্য করে এই নির্বাচনী আসনে ভোটের অনুপাত শূন্যের কোঠায় নিয়ে দাড় করিয়েছে এই সুযোগে বি. এন. পির দীর্ঘ দিনের মিত্র বাংলাদেশ জামায়েত ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন ( চরমোনাই) বেশ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভোট যুদ্ধে অনেকটা এগিয়েছে।যা বি.এন.পি র জন্য হয়েছে এক বিরাট চ্যালেন্জ এবং নিরব রয়েছে বৃহত্তর আওয়ামীলীগের দূর্ঘখ্যাত যা ২য় গোপালগঞ্জ নামেই পরিচিত,এই আসনের আওয়ামী কর্মী ও সমার্থকরা ইতিমধ্যেই বি. এন. পি গত ৩শরা নভেম্বর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের ২৩৭ টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী যার মধ্যে রয়েছে বরগুনা সদর ০১ আসনটিও এমন ব্যাক্তিকে এখানে দিয়েছেন দলীয় মনোনয়ন ( নজরুল ইসলাম মোল্লা) সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ ছাড়া যার নেই কোন পরিচিতি সাধারন জনগনের মাঝে।যার ফলে এই আওয়ামী লীগ এর দূর্ঘে বি. এন.পির বিজয় প্রায় অসম্ভাব।দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া কারন নজরুল ইসলাম মোল্লা র একমাত্র মেয়ে জামাই হচ্ছে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ছাত্র সংগঠন বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বরগুনা জেলা আওয়ামী যুবলীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ও লোকমুখে আরও গুন্জন শোনা যায় নজরুল ইসলাম মোল্লার সাথে রয়েছে আওয়ামিলীগের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকুর সাথে বেশ সখ্যতা এবং বি.এন.পি দলীয় রাজনীতিতেও রয়েছে তাদের একটা স্বৈরাচারী অবস্হান তাদের একই পরিবারে বরগুনা জেলা বি.এন.পি সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন গুলোতে রয়েছে অনেক গুলো গুরুত্বপূর্ণ পদ এবং নজরুল ইসলাম মোল্লা জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বরগুনা জেলা বি. এন. পির আহবায়ক সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদ যা দলীয় অনেক নেতা কর্মীদের মনে ক্ষোভের সৃস্টি করেছে যার বহিঃপ্রকাশ গত ১২ই নভেম্বর এই আসনে বি. এন. পির মনোনয়ন প্রত্যাশী একদল প্রার্থীরা বি. এন. পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বরাবর দিয়েছেন একখানা অভিযোগ যেন চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাইয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং নজরুল ইসলাম মোল্লার মনোনয়ন বাতিল করে যেন যোগ্য এবং জনগনের সাথে সম্পৃক্ত জনবান্ধন প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।এ আসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে এই আসনটি ০৩ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এবং যার মধ্যে ০২ টি উপজেলা হচ্ছে আমতলী ও তালতলী এর পরে ৩.৫ কিঃমিঃ নদী পাড় হওয়ার পরে রয়েছে বরগুনা সদর উপজেলা এবং আমতলী ও তালতলীতে রয়েছে প্রায় ৩০ হাজারের চেয়েও বেশি ভোট এবং বি. এন. পির মনোনীত নজরুল ইসলাম মোল্লা সহ জামাত,ইসলামি আন্দোলন সহ সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং আওয়ামিলীগের সাবেক প্রভাবশালী এমপিদের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায় যা বি. এন. পি প্রার্থীর বিজয়ের জন্য বড় বাধা।এই সংসদীয় আসনে বি.এন.পির চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাইয়ে সঠিক মূল্যায়ন না হলে পূনরায় এই আসনি বি. এন. পির উদ্ধার অসম্ভাব কারন ২০০১ইং সালে সর্বপ্রথম উপনির্বাচনে তরুনদীপ্ত উদীয়মান সূর্য আপামর জনতার নেতৃত্ব বি. এন. পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আস্হাভাজনখ্যাত জনাব মশিউর রহমান আকন এর চৌখস বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে জনাব মতিয়ার রহমান তালুকদার কে এই আওয়ামী দূর্ঘে বি. এন. পি থেকে এম. পি নির্বাচিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন।এবার সেই মানবতার ফেরিওয়ালা ন্যায় আদর্শ ও সততার প্রতীক তরুন, চৌখস বুদ্ধিদীপ্ত জনবান্ধন নেতা জনাব মশিউর রহমান আকন নিজেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ ইং ভোট যুদ্ধে লড়াই করার জন্য নিয়েছেন সর্ব্বোচ্চ প্রস্তুতি ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন হাটেবাজারে মাঠেঘাটে জনাব তারেক রহমানের রাস্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে নিজের অনুকূল ভোটচেয়ে।তিনি গত ২০২৪ ইং সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বরগুনা সদর,আমতলী ও তালতলী এই নির্বাচনী আসনে চষে বেড়াচ্ছেন বি. এন. পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কতৃক ঘোষিত ভঙ্গুর রাস্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে জনতার দ্বারেদ্বারে যা মশিউর রহমান আকন কে নিয়ে গেছে জনপ্রিয়তার এক উচ্চশিক্ষরে কারন মশিউর রহমান আকনের রয়েছে দীর্ঘ ৪৩ বছর জাতীয়তাবাদী রজনীতির আদর্শের অভিজ্ঞতা যাকে ছুতে পারেনী এই সমাজের এবং রাজনীতির কোন ক্ষমতার অপপ্রভাবে যার পরিচয় সাগর উপকূল পায়রা নদীঘেষা এই দক্ষিন অঞ্চলের এক মহৎ লৌহ মানব হিসেবে।
গুলিশাখালী ইউনিয়নের জেলেপারার বাসিন্দা মো: আবুল মাদবর বলেন,আমাগো বরগুনা ১ আসনে মশিউর ভাইকে যদি ধানের শীর্ষ প্রতিক দেয়া হয় তাহলে এই অঞ্চলের গরীব, দুঃখী মজলুম হিন্দু, মুসলিম জেলে তাঁতি ও জনগনের স্বপ্ন পূরন হবে।আমাগো একটাই চাওয়া মোগো মশিউরকে
এবার জাতীয় সংসদে পাঠাইতে চাই তাহলে মোগো মশিউর মোগোজন্য অনেক কিছু করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্।
আমতলীর চাওড়া ইউনিয়নের ফরহাদ বলেন,মশিউর আকন দলীয় মনোনায়ন না পেলে আমতলী ও তালতলীর মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবেনা। কেননা বরগুনার কেউ এমপি হলে তাদের কাছে আমতলী ও তালতলীর মানুষের ন্যায্যদাবী দাওয়া যেন মূল্যহীন। বরগুনা ১ আসনে তিনটি উপজেলা বরগুনা সদর আমতলী ও তালতলী দেখা গেছে বরগুনা সদরের চেয়ে আমতলী ও তালতলী এলাকায় তিন ভাগের দুই ভাগ ভোট রয়েছে। ইচ্ছা করলে আমতলী তালতলী মিলে একত্রিত হয়ে আমতলীতে এমপি রাখা সম্ভব। আমরা চাই আমতলী ও তালতলীর জনগন একত্রিত হয়ে জোট বেঁধে ভোট দিয়ে মশিউর ভাইকে এমপি বানিয়ে সংসদে পাঠাতে এটা মোদের প্রানের চাওয়া।
তিনি আরো বলেন,সাবেক সাংসদ মতিয়ার রহমান তালুকদার স্বতন্ত্র নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন কারন এই জনপদে যত উন্নয়ন হয়েছে তার অনেকটাই হয়েছে তার হাতধরে যারফলে ওনার রয়েছে একটা রিজার্ভ ভোট ব্যাংক।এরই মধ্যে গত ১৭ ই নভেম্বর প্রবীন রাজনীতিবিদ সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান তালুকদার মারা যায়।যার পরিপেক্ষিতে এই আসনে মতিয়ার রহমান তালুকদারের সকল নেতা কর্মী ও সাধারন ভোটার সমার্থকরা ওনারই ভাগ্নির ঘরের নাতি এই জনপদের যোগ্য কর্মী ও জনবান্ধন নেতা জনাব মশিউর রহমান আকনকে ভোট দিয়ে এমপি বানাতে পারলে আমতলী তালতলীর গণমানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে ।
হয়রত আলি বলেন,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনার জন্য আমতলী ও তালতলী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে আমাদের একটাই স্লোগান পায়রা নদীর পূর্বপাড়ের ভোট আমরা পশ্চিম পাড়ে দিমু না,মোগো ভোট মোগো এম. পি এটাই আমাগো শেষকথা।
Bangladesh Pratinioto news site