রংপুর প্রতিনিধি:জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ভোট হচ্ছে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আপনারা নিঃস্বার্থভাবে ভোট দিয়ে আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। এজন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। নির্বাচনের আগে আমি একটি দলের প্রার্থী ছিলাম, কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর আমি এখন সবার এমপি। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
জান গেছে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন পে স্কেল একবারে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে সরকারি হিসাব বলছে। তাই ২০২৮ ২৯ অর্থবছরের আগে পুরো পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।
সোমবার বেলা ১১টায় কাউনিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে ত্রৈমাসিক মতবিনিময় সভার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আখতার হোসেন এসব কথা বলেন।
উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা আব্দুস সালাম সরকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময়ে সভায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টি জেলা শাখার সংগঠক মোস্তাইন বিল্লাহ, এনসিপি কাউনিয়া উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী বালাপাড়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আব্দুর রহিম প্রমুখ।
সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, আগে মসজিদ মন্দিরের জন্য যে সাহায্য আসতো তা ভাগ বাটোয়ারা করে খেয়ে কিছু অংশ মসজিদ মাদ্রাসায় দিতো; কিন্তু আমি সরকারি যেটুকু বরাদ্দ পেয়েছি তা কোন কোন মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরে দিয়েছি তা ফেসবুকে প্রকাশ করেছি; যাতে এলাকার মানুষ বুঝতে পারে কোন কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পেল। গত ঈদুল ফিতরে আমি ১০ লাখ বরাদ্দ পেয়েছিলাম তার মধ্যে পীরগাছা উপজেলায় সাড়ে পাঁচ লাখ এবং কাউনিয়া উপজেলায় সাড়ে চার লাখ টাকা প্রদান করেছি। আমি চাই স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এলাকার উন্নয়ন হোক।
Bangladesh Pratinioto news site