বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত ডেস্ক: ভর দুপুরের তপ্ত রোদে তামিম ইকবালের আগমন ঘটে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে অপেক্ষা ছিলেন ব্যাটিং শুরুর। দুই ফিজিওর তত্ত্বাবধানে দেড় মাস পর অবশেষে সাবেক অধিনায়ক ব্যাট হাতে ফেরার লড়াই শুরু করে দিয়েছেন।
Google news
রোববার (২০ আগস্ট) দুপুরে মিরপুরের একাডেমি মাঠে ১৫ মিনিটের মতো ব্যাটিং করেন তামিম। তামিমের নেটের পেছনে পাখির চোখে নজর রেখেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুই ফিজিও কিরন থমস ও বায়েজিদ ইসলাম। সাবেক ফিজিও জুলিয়ান কালেফাতোর স্থলাভিষিক্ত কিরন কদিন আগে থেকে কাজ শুরু করেছেন।
তামিমের ব্যাটিং সেশন ছিল একেবারে হালকা মেজাজে। প্রথম দিকে থ্রোয়ার বল ছুড়েছেন খালি হাতে কিছুটা ধীরগতিতে। তামিমও রক্ষণাত্মকভাবে খেলতে থাকেন। এভাবে শুরুর পর থ্রোয়ারও বলের গতি কিছুটা বাড়ান। তামিমও আরেকটু স্টান্স বাড়িয়ে খেলার চেষ্টা করেন। শেষ দিকে জায়গা থেকে সরে ফ্রন্ট ফুট-ব্যাকফুটে খেলার চেষ্টা করেছেন।
ব্যাটিংয়ের পর ফিজিওর সঙ্গে তামিমের ফিটনেস ট্রেনিং।
ব্যাটিংয়ের মাঝে কোমর-পিঠে হাত দিয়ে ফিজিওদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল তামিমকে। মিনিট পনেরোর মতো ব্যাটিংয়ের পর কিরন থমসের সঙ্গে একাডেমি মাঠ ছেড়ে শের-ই-বাংলায় আসেন সাবেক অধিনায়ক। এখানে কিরণ থমস তাকে ফিটনেস ট্রেনিংয়ের বিভিন্ন কসরত করাতে থাকেন। এখানেও ফিজিওর সঙ্গে মিনিট পনেরোর মতো ট্রেনিং করেছেন তামিম।
লন্ডন থেকে চিকিৎসা শেষে ফেরার পর গত ৯ আগস্ট থেকে জিম ও ফিটনেসের কাজ শুরু করেন এই বাঁহাতি ওপেনার। নিয়মিত মিরপুরে এসে জিম করেছেন। ট্রেনার ও ফিজিওর সান্নিধ্যে চলেছে ফিটনেসের কাজ। এবার শুরু হলো ব্যাটিং।
পিঠের নিচের অংশের ব্যাথা মুক্তির জন্য গত জুলাইয়ে লন্ডন গিয়েছিলেন তামিম। সেখানে লাম্বার ফোর ও ফাইভে দুটি ইনজেকশন নিয়ে ব্যথা দমিয়ে রেখেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। এ ধরনের ইনজেকশনের কার্যকারিতা ২-৩ মাস থেকে ৪-৫ মাস পর্যন্ত থাকে। কিছু ক্ষেত্রে এক মাসের মধ্যেও ব্যথা অনুভব হতে পারে।
Bangladesh Pratinioto news site