Most Recent Post
Home / সারাদেশ / আসছে ঈদ বিক্রেতাদের মুখে নেই হাসির ছোঁয়া,দোকান আছে ক্রেতা নেই, বিক্রেতাদের মুখে মলিনতার ছাপ

আসছে ঈদ বিক্রেতাদের মুখে নেই হাসির ছোঁয়া,দোকান আছে ক্রেতা নেই, বিক্রেতাদের মুখে মলিনতার ছাপ

আসাদুজ্জামান আসাদ,আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদ উল ফিতরের আর মাত্র ৮ দিন বাকি ।তবে ঈদকে ঘিরে দোকান পাট শপিংমল যেন বেচাকেনার ব্যস্ততম স্থানে পরিনত হওয়ার কথা থাকলেও নেই ক্রেতাশূন্য বললেই চলে তাই বিক্রেতাদের মনে নেই হাসির ছোয়া। রাজধানী বা সিটি শহরের কর্মচারীরা, নানা পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা ঈদকে উপেক্ষা করে নারীর টানে বাড়ী ফিরতে চায় যখনই ঠিক তখনই যাওয়ার আগ মুহুর্তে শেষ করতে চাইছেন অসমাপ্ত কেনাকাটা।এতে মার্কেট ও ফুটপাতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।।

পবিত্র মাহে রমজানের ২৩ তম দিন শেষ হয়েছে আজ। ঈদের ৭ দিন বাকী থাকলেও নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। আবার অল্প কিছুদিন পরেই চাকুরিজীবি মানুষেরা নাড়ির টানে ছুটবেন গ্রামের দিকে।তাই মার্কেটে ছুটার তাড়াটা এখন ঘরমুখো মানুষেরই বেশি।

ঈদের বেচাকেনার ধারাবহিকতা নিয়ে এবার বরগুনার আমতলীতে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বেচাকেনার বেহাল দশা।ঈদ উল ফিতরকে উপেক্ষা করে দোকানীরা ভরপুর ঈদের পন্য পোষাকজাত, কসমেটিসসহ নানা প্রয়োজনীয় মালামাল শপিংমল থেকে শুরু করে ছোট ছোট বাজার থেকেও কেনাকাটা করছে ক্রেতারা। তবে গত বছরের তুলনায় এবার একই এসময় বেচাকেনা কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। এবার নারী, পুরুষ ও শিশুর জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের নতুন পোশাকগুলো বিক্রি হচ্ছে ব্যাপক হারে। এ ছাড়াও মসলিন, সিল্ক, জামদানি, কাতান, কাশ্মীরি কাজ করা শাড়ি ও লেহেঙ্গা, পুরুষদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, টিশার্ট এবং শিশুদের জন্য নানা রঙের আরামদায়ক পোশাকের চাহিদা বেশি। গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ক্রেতারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার (১৪ মার্চ) সার্রাদিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আমতলী উপজেলার নরমাল বিপননীগুলোর মধ্যে গুলিশাখালি, কুকুয়া, গাজিপুর,মহিষকাটা,ডাক্তার বাড়ী,খেকুয়ানী,আরপাংগাশিয়া, তারিকাটা, খুড়িয়ার খেয়াঘাট ছোট বাজার গুলোতে বেচাকেনা স্বল্প মাত্র। মার্কেট এবং শপিংমলগুলোতে সকাল থেকে শুরু হচ্ছে ব্যস্ততা। মিলছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ঈদের পোশাক। নানা ধরনের অফার এবং ঈদ স্পেশাল কালেকশন বিক্রি করা হচ্ছে জনপ্রিয় শপিংমলগুলোতে।

তবে প্রতি বছরের ন্যায় এবার ও বেচাকেনার কথা ভালো থাকলেও তেমন নেই বেচাকেনা এমনটাই দাবি করেছন বিক্রেতারা। আবার অধিকাংশ বিক্রেতারা বলেন ২০ রোজার পর থেকেই বাড়বে বেচাকেনা। তবে আসল সত্যটা যাচাই হবে ঈদের একদিন আগে। এমনটাই বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ধারনা।

অন্যদিকে অভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মার্কেটগুলো ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।যেমন- আমতলী উপজেলার নরমাল বিপননীগুলোর মধ্যে গুলিশাখালি, কুকুয়া, গাজিপুর,মহিষকাটা,ডাক্তার বাড়ী,খেকুয়ানী,আরপাংগাশিয়া, তারিকাটা, খুড়িয়ার খেয়াঘাট নামক এলাকায় মার্কেট এবং শপিংমলগুলোতে সকাল থেকে শুরু হচ্ছে ব্যস্ততা। মিলছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ঈদের পোশাক। নানা ধরনের অফার এবং ঈদ স্পেশাল কালেকশন বিক্রি করা হচ্ছে জনপ্রিয় শপিংমল গুলোতে।

পোশাকের দোকানগুলোতে পুরুষদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, গেঞ্জি, টিশার্ট, নারীদের শাড়ি, থ্রিপিস, ওয়ান পিস, কুর্তা এবং বাচ্চা ও শিশুদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, ফ্রক, গেঞ্জিসেটসহ আধুনিক ডিজাইনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। একইসঙ্গে কসমেটিকস, জুতা, ঘর সাজানোর সামগ্রী এবং গহনার দোকানগুলোতেও ভিড় জমাচ্ছেন মানুষজন।

আব্দুল্লাহ সুপার মার্কেটের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মো: ফরাজি সোহেল জানান, এ বছর ঈদের কেনাকাটা আগেভাগেই শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে ভিড়। মিলছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ঈদের পোশাক। নানা ধরনের অফার এবং ঈদ স্পেশাল কালেকশন বিক্রি করা হচ্ছে জনপ্রিয় শপিংমলগুলোতে।

কসমেটিক্স ব্যবসায়ী শাকিব সাজঘর এর পরিচালক মোঃ বজলু বলেন, কসমেটিক্স জুতা, ঘর সাজানোর সামগ্রী এবং গহনার দোকানগুলোতেও মানুষজনের ভিড় নেই । ২৫ রোজার পরে বেচাকেনা বাড়তে পারে ।

ফরাজি গার্মেন্টসের পরিচালক মোঃ শোয়েব ইসলাম ও মো: আজাদুর রহমান আজাদ মাস্টার বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর বেচাকেনার মান অনেক খারাপ, গতবছরের থেকে সময় ব্যাপক বেচাকেনা হতো। এ বছর গত বছরের তুলনায় বেচাকেনা অনেক কম। তবে পঁচিশ রোজার পরে বেচাকেনা বাড়তে পারে।

ক্রেতা এইচ এম শাহনুর রহিম রিসাদ মন্টি বলেন,বরাবরের মতোই ঈদকে সামনে রেখে কাপড়ের বাড়তি দাম চাইছেন বিক্রেতারা। স্কুলকলেজ রোজার শুরু থেকেই বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই আগেভাগে কেনাকাটা করে গ্রামের বাড়িতে চলে যাবেন। সেই বিষয়টি বুঝতে পেরে দাম ছাড়তে চাইছেন না বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলেন,এ বছর ঈদের কেনাকাটা আগেভাগেই শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে ভিড়। এবার নারী, পুরুষ ও শিশুর জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের নতুন পোশাকগুলো বিক্রি হচ্ছে ব্যাপক হারে। এ ছাড়াও মসলিন, সিল্ক, জামদানি, কাতান, কাশ্মীরি কাজ করা শাড়ি ও লেহেঙ্গা, পুরুষদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, টিশার্ট এবং শিশুদের জন্য নানা রঙের আরামদায়ক পোশাকের চাহিদা বেশি। গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ক্রেতারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

ক্রেতারা বলেন, বরাবরের মতোই ঈদকে সামনে রেখে কাপড়ের বাড়তি দাম চাইছেন বিক্রেতারা। স্কুলকলেজ রোজার শুরু থেকেই বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই আগেভাগে কেনাকাটা করে গ্রামের বাড়িতে চলে যাবেন। সেই বিষয়টি বুঝতে পেরে দাম ছাড়তে চাইছেন না বিক্রেতারা।

আমতলী থানার (ওসি)মো: জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এবারের ঈদ কেনাকাটায় আমতলীতে নিরাপত্তা জোরদার রয়েছে ।কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

About bdpratinioto

Check Also

ফতুল্লায় চোরাই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকাসহ দুই পেশাদার চোর গ্রেপ্তার

শেখ নিয়াজ মোহাম্মদ : ‎নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাসায় চুরির ঘটনায় চোরাই স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *