বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত খেলা ডেস্ক: সৌন্দর্যের কথা বললে গোটা নিউ জিল্যান্ড-ই যেন স্বর্গ। মনোমুগ্ধকর ফটোজেনিক প্রকৃতি যেন অপার্থিব সৌন্দর্যের আধার। ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছেই নিউ জিল্যান্ড যেন একটি স্বপ্নের নাম। তবে স্বপ্নের মতো এই দেশে মাঠের ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য বরাবরই দুঃস্বপ্নের।
অকল্যান্ড, নেপিয়ার, হ্যামিল্টন কিংবা ডানেডিন, ওয়েলিংটন, ক্রাইস্টচার্চ; সবগুলো ভেন্যুতে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের একেকটি ব্যর্থতার গল্প। নিউ জিল্যান্ডে এখন পর্যন্ত স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৩২টি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। কোনো ম্যাচেই প্রতিদ্বন্দ্বীতা নেই। অসহায় আত্মসমর্পণে বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ৩২টি। চলতি সফরের আগে ব্যবধান ছিল ২৬-০। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশ হয়ে এখন ব্যবধান ৩২-০।
ওয়ানডেতে হয়নি। তিন ওয়ানডের প্রতিটিই বাংলাদেশ হেরেছে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সামান্য লড়াই করলেও সেখানেও হারের তিক্ত স্বাদ পেতে হয়েছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ফল অভিন্ন। ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ। তামিমের মতো অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও আশা দেখিয়েছিলেন। কিন্তু দলকে ভালো ফল দিতে পারেনি কেউ। ব্যাটি-বোলিং যেমনতেমন হলেও এবারের সফরে বাংলাদেশের ফিল্ডিং ছিল হতশ্রী। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছিল ৪ ক্যাচ ছেড়ে। আজ শেষ টি-টোয়েন্টিতেও ক্যাচ মিস হয়েছে ৪টি। ফিল্ডিং নিয়ে বরাবরই গর্ব বাংলাদেশ শিবিরের। কিন্তু নিউ জিল্যান্ডের সবুজ গালিচায় ফিল্ডিংয়ে ছিল না প্রাণ।
মাঠের ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই ভালো ফল নেই বাংলাদেশের। নিউ জিল্যান্ড থেকে ৪ এপ্রিল দেশে এসে আবার শ্রীলঙ্কা দুই টেস্ট খেলতে যাবে বাংলাদেশ। দ্বীপরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ভালো করতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
Bangladesh Pratinioto news site