বিনোদন ডেস্ক
রাব্বি হোসেন তরুণ এক উদ্যোক্তা, বসবাস করেন রাজধানীর মিরপুর ১১ তে, বর্তমানে তিনি নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
শিক্ষার পাশাপাশি ক্যারিয়ার গড়তে নিজেকে গড়ে তুলেন ফটোপ্রাফার হিসেবে। ২০১৫ সালের দিকে সখের বসেই শুরু হয়েছে ছবি তোলা। ক্যারিয়ারে প্রথম ধাপে মডেল হওয়ার ইচ্ছে থাকলেও ঘুরে দাড়িয়ে এখন মডেল বানানোর কারিগর।
তার মতে আমাদের ছোটবেলায় কত-কিছুরই না শখ থাকে! ডাকটিকিট সংগ্রহ করা, কয়েন জমানো, ছবি তোলা, সাইকেল চালানোসহ আরো কত কী! কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমরা বড় হতে থাকি এবং বাস্তবতার আকাশে আমাদের এই রঙিন সখ গুলো কোথায় যেন হারিয়ে যায়। পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে অনেকেই জীবিকার টানে নিজেদের শখকে বিসর্জন দিয়ে গতানুগতিক পেশাগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু কেমন হতো, যদি আপনার ছোটবেলার শখকে পেশায় পরিণত করতে পারতেন? নিজের সখ পূরণের পাশাপাশি যদি দুই-চার পয়সা আয় হয়, তাহলে তো সোনায় সোহাগা।
ছোটবেলায় শখের বশে ঘাস, পাখি, ফুলদের ছবি তোলার মধ্যদিয়েই প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হওয়ার ক্যারিয়অর রাব্বি হোসেনের। তিনি নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে বলেন প্রথম দিকে বন্ধুদের ছবি তোলা এবং তাদের এপ্রিসিয়েট এর মাধ্যমে ছবি ঘষা মাঝা (এডিট) করা ও আস্তে আস্তে শিখতে থাকা। পরে আস্তে আস্তে সবাই আমার কাজগুলোকে পছন্দ করতে থাকে। নানা জায়গায় গিয়ে মডেল ফটোগ্রাফি করেছি। আস্তে আস্তে নিজেকে উপস্থাপন ও করেছি। ফটোগ্রাফির মাঝে আমার পছন্দ পট্রেয়ট এবং ল্যান্ডস্কেপ।
উন্নত প্রযুক্তি আর স্মার্টফোনের যুগে এখন সকলেই ফটোগ্রাফার। কেউ মনের মতো সেলফি তুলতে দিনভর ক্যামেরার সামনে পোজ দেন, তো কেউ লেন্সবন্দি করতে ভালবাসেন প্রকৃতিকে। কারও লেন্স আবার ঘুরে বেড়ায় স্মৃতির সরণিতে। সময়ের সঙ্গে ফটোগ্রাফির সংজ্ঞা বদলালেও ক্যামেরা আর চিত্রগ্রাহকের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক এখনও একইরকম। উন্নত প্রযুক্তি আর স্মার্টফোনের যুগে এখন সকলেই ফটোগ্রাফার। কেউ মনের মতো সেলফি তুলতে দিনভর ক্যামেরার সামনে পোজ দেন, তো কেউ লেন্সবন্দি করতে ভালবাসেন প্রকৃতিকে। কারও লেন্স আবার ঘুরে বেড়য় স্মৃতির সরণিতে। যাঁরা মুহূর্তকে লেন্সবন্দি করতে ভালবাসেন, তাঁরা নিশ্চয়ই চান, তাঁদের তোলা ছবিটি হয়ে উঠুক পিকচার পারফেক্ট। তাই এই বিশেষ দিনে বিশেষজ্ঞদের তরফে রইল কিছু টিপস। বিশেষজ্ঞ ফটোগ্রাফাররা বলছেন, ভাল ছবি তুলতে হলে ক্যামেরার পিছনে একটু খরচ করতেই হবে। নাহলে সস্তার ক্যামেরার তিন অবস্থা তো হবেই, ছবির গুণমানও খুব ভাল কিছু হবে না।
*ছবি তোলার সময় আপনার ছবির বিষয়বস্তু যদি সজাগ হয়ে যায়, তবে ছবির মজাটাই নষ্ট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে যেমন তার স্বাভাবিক রূপেই লেন্সবন্দি করা যায়।
*ক্যামেরা বা লেন্স উন্নতমানের হলেই যে দারুণ ছবি আসবে, তা নয়। ফটোগ্রাফিক সেন্স থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।
*রাস্তাঘাটে এমন অনেক দৃশ্য চোখে পড়ে যার মধ্যে কোনও একটা গল্প লুকিয়ে থাকে। তা আনন্দ বা কষ্টেরও হতে পারে। আবার অনুপ্রেরণা বা সাফল্যেরও। আপনার দূরদর্শিতাই বলে দেবে আপনি ভাল ফটোগ্রাফার কি না।
*জুম লেন্স ক্যামেরার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। এটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে তুচ্ছ বস্তুও অনেক সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।
এখনকার তরুন প্রজন্মের কাছে ফটোগ্রাফি ব্যাপারটা তুমুল জনপ্রিয়। এর পেছনে কারণও রয়েছে অনেক। পেশা হিসেবে ফটোগ্রাফিতে রয়েছে বৈচিত্র, তাই গতানুগতিক পেশার মতো এখানে একঘেয়েমি অনুভব করার সম্ভাবনা নেই। আর আপনি যদি সৃষ্টিশীল কাজ করে আনন্দ পান, তাহলে ফটোগ্রাফি আপনার জন্য উপযুক্ত পেশা। এতক্ষণে নিশ্চয়ই ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনার মনে কৌতূহল জাগতে শুরু করেছে এবং একইসাথে কিছু প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে। তাহলে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নেয়া যাক।
১) ফটোগ্রাফি পেশার ধরণ কেমন?
২) এর কাজের ক্ষেত্রটাই বা কতটুকু?
সবার আগে এ দুটো প্রশ্নই আপনার মাথায় আসার কথা। ফটোগ্রাফির বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে। যেমন- ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফি, ওয়েডিং ফটোগ্রাফি, গ্লামার ফটোগ্রাফি, প্রোট্রেট ফটোগ্রাফি, প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি, ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফি, ফটো ডকুমেন্টারি ইত্যাদি। এতগুলো ধরনের মধ্যে কোনদিকে এগোবেন সেটা নিজের পছন্দ ও পারদর্শীতার ভিত্তিতে ঠিক করে ফেলুন।
Bangladesh Pratinioto news site