নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এক বার্তায় প্রেস উইং জানায়, প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা। শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। উপকারভোগী নির্বাচন প্রাথমিকভাবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে করা হবে; পরে সরেজমিন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে; সদস্যসংখ্যা বেশি হলে অতিরিক্ত কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুবিধা নিতে পারবেন।
প্রথম ধাপে বনানীর কড়াইল বস্তিসহ পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জ এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিগুলো উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করবে এবং অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীদের পরিবারপ্রধান হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্ড প্রদান করা হবে।
Bangladesh Pratinioto news site