Most Recent Post
Home / সারাদেশ / সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ থানায় অভিযোগ

সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক;রাজশাহী নগরীর মতিহার থানা কাজলা (বিলপাড়া) এলাকার মৃত্যু মাসুদের ছেলে মুঞ্জুুর ও কাটাখালি থানা এলাকার রফিকুলের ছেলে মো: সাকিল আলীর বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি সহ নানা ভাবে হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন ও বোয়ালিয়া মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন দৈনিক বর্তমানের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ও জাতীয় দৈনিক যায়যায় কালের উওরবঙ্গের প্রধান প্রতিবেদক মো: পাভেল ইসলাম মিমুল।

রবিবার(২৪ মার্চ) বিকেল ৪ টায় নগরীর তালাইমারী বাজার এলাকার নিজ অফিসে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা জাতির সামনে তুলে আনতে অনুসন্ধানে নামে প্রথম প্রকাশের অনুসন্ধান টিম বেরিয়ে আসে সত্য ঘটনা।

গত ২১ মার্চ দুপুরে মুঞ্জুুরের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে না অটোরিকশা চালানোর নাম করে কাজলা এলাকায়
মিলন নামের এক যুবককে সাথে নিয়ে কাটাখালি থানার কাপাসিয়া এলাকার মুঞ্জুুরের পূর্ব পরিচিত যুবক মো: সাকিলের গ্যারেজে নিয়ে যায় অটোরিকশা।

সাকিলকে সাথে নিয়ে গাড়িটা নিয়ে রওনাদেয় চারঘাট উপজেলার ইউসুফ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার এলাকায় সাকিলের পরিচিত একটি অটো গ্যারেজে।পরে গাড়িটি বিক্রি জন্য ৫০ হাজার টাকা দাম ঠিক করে।এরপর সেখান থেকে কাপাসিয়া সাকিলের নিজ গ্যারেজে গাড়িটা নিয়ে এনে বিক্রি করা হয়।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সত্য ঘটনা কি ঘটেছিলো
সাকিলের গ্যারেজে : অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে
বিক্রি করে ৩০ হাজার টাকা মুঞ্জুুরের হাতে দেন। বাকি ২০ হাজার টাকা পরে নিবো বলে চলে জান সাকিলের
গ্যারেজ থেকে।

এরপর সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুলকে মুঠোফোনে কল দিয়ে বলেন,ভাই আমার অটোরিকশা চুরি হয়ে গেছে। আপনি আসেন কথা বলবো ভাই। গাড়ি চুরির কথা শুনে ছুটে জান মুঞ্জুুর ও মিলনের কাছে।সাংবাদিক প্রশ্নে করে কখন গাড়ি চুরি হয়েছে। থানায় অভিযোগ করেছেন তিনি বরেন না। অভিযোগ করেন কি কালার অটোরিকশা নম্বার জানেন আপনি ? মুঞ্জুুর বলেন গাড়ির কার্ড আর চাবি আমার কাছে আছে নেন
দেখা যায় নম্বার কে এইচ এ-০৪৭৪৩ সবুজ কালারের
অটোরিকশা। জানতে পারি অটোরিকশা গোবিন্দপুর এলাকায় আছে। আপনারা জান আমি মালিক কে বলে আসছি ভাই।

তার কথা মতো সাংবাদিক মিমুল,ওমর আলী,রেন্টুসহ চারঘাট উপজেলার ইউসুফ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার এলাকায় যায়।পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবককে নিয়ে কয়েকটি অটো গ্যারেজে খোঁজ নিয়ে বলা হয়
অটোরিকশা এলাকায় নাই।

তাদের দেওয়া তথ্য মতে কাপাসিয়া বাজারে সাকিলের গ্যারেজে অটোরিকশা আছে আপনারা সেখানে জান
আমি আসছি।তিনি আবারো বলেন আমি মালিক কে জানিয়ে আসছি। তার কথা আবারো কাপাসিয়া এলাকায় শাকিলের অটো গ্যারেজে যায়। স্থানীয় এক দোকান মালিককে বললে শাকিলের অটো গ্যারেজ চিনিয়ে দেন।গিয়ে দেখি তালা ঝুলছে গেটে কেউ নাই। এরপরে গেটে লেখা মোবাইল নম্বারে ফোন করা হয়।পরে সাকিলের পিতা মো: রফকুল আসে।গ্যারেজে তালা খুলে সেখানে তিনটা অটোরিকশা দেখতে পাই।গাড়ির কালার ও ছবি দেখে চিনা যায়। খুলে ফেলে গাড়ির নম্বারটি। মুঞ্জুুরকে আসতে বলা হলো সেখানে আসেনি।চুরির ঘটনাটি স্থানীয় জনগণকে জানানো হয়।

সাকিলের স্ত্রী খাদিজা এসে বলে আপনারা কারা?
আমরা সাংবাদিক আমাদের পরিচয় দেখেন আপু।
খাদিজা বলেন আমার স্বামী সাংবাদিক।কোন পএিকার
অথবা টিভি চ্যানেল না অনলাইন নিউজ প্রোর্টালের প্রতিনিধি তিনি বলতে পারে না স্ত্রী। পরে ভিজিটিং কার্ড এনেদেন। কার্ডে লেখা আছে সাকিল আলী আলোকিত তালাশ ৮৪ এর ক্যামেরাম্যান।সাকিলকে ফোন করলে বলেন আমি বাহিরে আছি। আমার বাবা যাচ্ছে সন্ধ্যা পার হয়ে গেলে সেখানে আসেনি সাকিল।সবাই মেনেজ করার চেষ্টা করেন তার বাবা ও স্ত্রী।

আলোকিত তালাশ ৮৪ অনলাইন নিউজ প্রোর্টালের সম্পাদক এস এম কাজিম বাবুকে বিষয়টি জানানো তিনি বলেন,শাকিল আলী ভুয়া ফটো সাংবাদিক সেজে আলোকিত ‘৮৪’ তালাশের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।আমাদের নিউজ পোর্টালের কেউ নয়। সে আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপ- চেষ্টা বা দুর্নাম ছড়ানোর চেষ্টা করছে।তার ব্যাপারে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই।এবং এ ব্যাপারে আমাদের প্রতিষ্ঠানের কোন দায় ভার নিবে না। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন তার ঠিকানা এবং পরিচয় অনুসন্ধান চলছে। পরে সেখানে আলোকিত তালাশের প্রতিনিধি রাকিব আসেন।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলো আরএমপির কাটাখালি থানার এসআই রাজ্জাক,এএসআই ওমর ফারুক ও সঙ্গে ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হোন পুলিশ। সাকিলের পিতা মো: রফকুলকে আটক করা হয়েছিলো। রফকুল নিজে বলে স্যার সব ব্যাটারি এনে গাড়ি বুঝিয়ে দিচ্ছি। পরে পুলিশ তাকে সুযোগ দেন।

রফকুল একটা অটোরিকশা নিয়ে ইউসুফ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকায় থেকে ব্যাটারিগুলো নিয়ে আনেন। মিস্তি দিয়ে ব্যাটারিগুলো লাগিয়ে দেন।পরে
মুঞ্জুুরকে গাড়ি নিয়ে যেতে বলা হয় অনেকবার।কেউ না আশায় পুলিশ অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে যায়।

গত (২২মে)শুক্রবার দুপুরে আবারো মুঞ্জুুর থানায় থেকে গাড়িটি ছাড়িয়ে আনার জন্য পাভেল ইসলাম মিমুলের সহযোগিতা চান।তিনি বলেন আপনি না গেলে আমরা কোনো যাবো।তখন সবাইকে ঘটনাটি খুলে বলা হয়। মালিক তাকে ধরে নিয়ে জান।তারপরে চলে সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। মিমুল গাড়ি এনে দিবো।এতেবার অটোরিকশা কাপাসিয়া থেকে আনার কথা বলা হলো চালক যায় নি কারণ বুঝতে পারছেন সবাই! সত্য ঘটনা সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের অপরাধ ঢাকার জন্য
মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

এসআই ওয়ারিশ এর সাথে মুঠোফোনে সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল কথা বলেন,তিনি বলেন মুঞ্জুুর কে ডাকার পরে আসছিলো না। মালিকের চাপে এখন এসেছে।পরে মুঞ্জুুরের সাথে কথা বলিয়ে পুলিশ।নিজে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত। নিজে আপরাধ ঢাকার জন্য সে একেরপর নাটক ও মিথ্যা অপপ্রচার করছে।
পরে মুঞ্জুুরের কাছে লিখিত নিয়ে গাড়ি বুঝিয়ে দেন থানার পুলিশ।

এখন প্রশ্ন হলো কাটাখালি থানায় সাংবাদিক পাভেল ইসলাম মিমুল কে ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়নি কোনো? মুঞ্জুুর জিনের অপরাধ আড়াল করার জন্য এখন পয়ন্ত মিথ্যা অপপ্রচার করছে।

পাভেল ইসলাম মিমুল বলেন আমার নামে সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ,অটো চালক মুঞ্জুুর ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ
করোছেন।নিজের অপরাধ ঢাকার জন্য তিনি বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অপপ্রচার আমার বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কোন ষড়যন্ত্রে কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আমাকে একাধিক বার ফোন করে,মেসেজ দিয়ে whatsapp এ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এবং অন্য ব্যক্তিদের কে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।আমার নামে মতিহার থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

এসমস্ত অভিযোগ মনগড়া,মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুককে অপপ্রচার ও সন্মান ক্ষু্ন্ন করার জন্যই এগুলো করা হচ্ছে।

এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ,হুমকি ও অপপ্রচার বন্ধ না করাই আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তার বিরুদ্ধে আমি বোয়ালিয়া থানায় অভিযোগ করেছি। প্রয়োজন হলো আমি মামলা করবো। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের একটাই কথা বলবো আইনের চোখে অপরাধী সুধুই অপরাধী আপনারা কারু পক্ষ না নিয়ে আপনারা তদন্ত করে সঠিক ঘটনা উন্মোচন করবেন। এবং আসল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করছি।

আমার কাছে ও প্রতিবেদকদের কাছে গাড়ি উদ্ধারের ভিডিও ও পুলিশের সাথে কথা বলার কল রেকর্ড সংরক্ষিত আছে। প্রয়োজন হলো সেগুলো আপনাদের কাছে আমরা দিবো।

অভিযোগের বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: রবিউল ইসলাম বলেন,আমরা থানায়
অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হবে।অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে

About bdpratinioto

Check Also

ইখতিয়ার রহমান কবির পক্ষ থেকে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বাসি কে অগ্রিম পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি;আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *