বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত ডেস্কঃ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে ৩০টি রাজনৈতিক দলের আজকের সংলাপে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
Google news
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে দ্বিতীয় পর্যায়ের ১১তম দিনের আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “প্রধান বিচারপতি নিয়োগে সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিদ্যমান ব্যবস্থা পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রপতির জন্য আপিল
তিনি বলেন, “বর্তমানে সংবিধানে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হবে নাকি জ্যেষ্ঠ দুই জনের মধ্য থেকে কাউকে নির্বাচন করা হবে, এ বিষয়ে এখনো দ্বিমত রয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলবে।”
জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ নিয়েও আলোচনা হয়। অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “৭ জুলাইয়ের আলোচনায় জরুরি অবস্থা যেন রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয় এবং ১৪১(ক) অনুচ্ছেদের সংশোধনের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল। আজকের আলোচনায় ‘অভ্যন্তরীণ গোলযোগ’ শব্দটি বাতিল করে এবং জরুরি অবস্থার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে দেওয়ার বিধান সংযুক্ত করার প্রস্তাব উঠে আসে।”
এ বিষয়ে আলোচনা চলবে বলে জানান তিনি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাও আলোচনায় উঠে এসেছে। তিনি বলেন, “প্রতিটি রাজনৈতিক দল এমন একটি পদ্ধতির পক্ষে, যা ‘কার্যত ত্রুটিমুক্ত’ এবং জনগণের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রতিফলন ঘটায়। কমিশন এ বিষয়েও আলোচনা অব্যাহত রাখবে।”
আজকের আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
Bangladesh Pratinioto news site