টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি: ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার, নিখোঁজ ১৩
Posted By :
bdpratinioto
আগস্ট ১, ২০২৬
সারাদেশ
45 Views
মাজিবুল হক : স্টাফ রিপোর্টার টেকনাফ:
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাঝিমাল্লাসহ আরও ১৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া নৌকাঘাটসংলগ্ন উপকূলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় জেলেরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও আরাকান আর্মির (এএ)-এর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের কারণে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসার সময় নৌকাটি ডুবে যায়। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।স্থানীয় জেলে মো. ইসমাইল বলেন, নৌকাটিতে মোট ৩১ জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ১৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো নারী বা শিশু নেই বলেও তিনি জানান।
এদিকে, স্থানীয় একটি সূত্র ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ আগে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ছিলেন এবং পরবর্তীতে মিয়ানমারে গিয়েছিলেন। তারা আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে সংঘাতে জড়িত ছিলেন—এমন অভিযোগও তারা করেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, শাহপরীরদ্বীপ এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনায় ১৮ জনকে উদ্ধার করে বিজিবির হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা কী কারণে বাংলাদেশে এসেছে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ নিবন্ধিত রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।এই সংস্করণে যাচাই না হওয়া তথ্যকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন না করে যথাযথভাবে “দাবি করেছেন”, “অভিযোগ করেছেন”, “স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি”—এভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে নিরাপদ ও পেশাদার পদ্ধতি।
২০২৬-০৮-০১